skip to Main Content
ফ্রিলান্সিং করুন আন্তনির্ভরশীল হন

ফ্রিলান্সিং করুন আন্তনির্ভরশীল হন

আমাদের চারপাশে তাকালে অনেক বেকার যুবক-যুবতী দেখা যায়। অনেকেই নিরুপায় হয়ে বেকার, কেউ  বা বাবার অনেক টাকা আছে তাই কোন কাজ করে না। তবে, বাবার হোটেলে খায় এমন বেকার আসলে বেশি না, কিন্তু উপায় নেই, ভাল চাকরি বা কাজ পাচ্ছে না এমন বেকার অনেক। প্রতি বছর দেশে হাজার হাজার শিক্ষিত বেকার তৈরী হচ্ছে। প্রশ্ন হলো শিক্ষিত হয়েও, ভাল রেজাল্ট করেও কেন আমাদের বেকার থাকতে হচ্ছে। কারনটা হলো দেশে যে হারে শিক্ষিত লোকের সংখ্যা বাড়ছে সে হারে চাকরির বাজার বড় হচ্ছে না। তাই আজ আমাদের দেশের শিক্ষিত জনগনের এই দশা। কথা হচ্ছে, এই বিশাল শিক্ষিত জনসম্পদকে কিভাবে সম্পদে রুপান্তিত করা যায়? জ্বী জবাব উপায় একটা আছে। চলুন জেনে নেই উপায়টা কি।

 

ফ্রিলান্সিং কি?

অনেকেই ফ্রিলান্সিং বা আউটসোর্সিং শব্দটা শুনে থাকবেন। তবে আগেই বলে নেই, ফ্রিলান্সিং ও আউটসোর্সিং শব্দ দুইটার মানে কিন্তু আলাদা, ফ্রিলান্সিং মানে হলো স্বাধীন ভাবে অন্যের কাজ করে দেয়া আর আউটসোর্সিং হলো অর্থের বিনিময়ে অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয়া। সেটা হতে পারে দেশের ভিতরে কিংবা বাহিরে।  তার মানে হলো একজন ফ্রিলান্সার সে দেশেরই হোক না কেন, তার ভাষা যাই হোক না কেন সে যদি কোন কাজে দক্ষ হয়ে থাকে তবে ঘরে বা নিজের অফিসে বসে দেশের বা বিদেশের যেকোন বায়ারের কাজ করে আয় করতে পারে। মূল বিয়ষ হলো ফ্রিলান্সিং কোন কাজের নাম না এটা একটা পেশার নাম, যে যারা শিক্ষা দান করেন তাদের শিক্ষক বলি, যারা ব্যবসা করেন তাদের ব্যবসায়ী বলি তেমনি আমরা যারা ফ্রিলান্সিং করি তাদেরকে ফ্রিলান্সার বলা হয়। আজকে আমাদের মূল বিষয় যেহেতু ফ্রিলান্সিং তাই আমি এই বিষয়ে আজ যতটুকু পারি তুলে ধরার চেষ্টা করবো।

 

ফ্রিলান্সিং কারা করবেন?

আপনি কি একজন শিক্ষিত বেকার? বর্তমান চাকরি নিয়ে বা বেতন নিয়ে সন্তুষ্ট নন? ভাল ইংরেজী জানেন? অনলাইনে করা যায় এমন কোন কাজ ভাল মত পারেন? পড়াশুনার পাশাপাশি নিজের খরচ চালানো বা ফ্যামিলিকে সাপোর্ট দিতে চান? এই প্রশ্ন গুলোর ১ টির উত্তরও যদি আপনার জন্য হ্যা হয় তবে জনাব ফ্রিলান্সিং আপনার জন্য। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে দেখেছি, আমাদের সমাজের অনেক ছেলে-মেয়ে উচ্চ শিক্ষার জন্য ঢাকায় এসে কিছুদিন পর অনেক আর্থিক সংকটে পড়েন। আমাদের মুষ্টিমেয় কয়েকজনের বাবা-মা হয়তো বড় লোক, কিন্তু বেশির ভাগই গরীব বা মধ্যম আয়ের পরিবার। এই ছেলে-মেয়ে গুলো, টাকার জন্য হন্যে হয়ে টিউশনি খুঁজে অনেকে পায় অনেকে পায় না। অনেক কষ্ট করে পড়া শুনা করতে হয় তাদের। আমার আজকের লেখাটা মূলত ঐ সমস্ত ভাই-বোনদের জন্য। আমরা জানি পৃথিবী এখন হাতের মূঠোয়, আসলেই কথাটা কিন্তু সত্যি। আপনি কি জানতে চান, গুগলকে একবার প্রশ্ন করে দেখুন সাথে সাথে ১০০ টা উত্তর পেয়ে যাবেন। ঘটনা যদি এটাই হয় তাহলে আমরা কেন আমরা আমাদের স্মার্টফোন ও কম্পিউটারকে কাজে লাগিয়ে কিছু অতিরিক্ত আয় করছি না? বলা বালূহ্য আজ ঘরে ঘরে ইন্টারনেট আছে, বিশেষ করে তরুন-তরুনীদের বাসায় অবস্যই ব্রডব্যান্ড বা মোডেমের ইন্টারনেট লাইন আছে। বর্তমানে আমাদের সমাজরে ছেলে-মেয়েরা তাদের অবসর সময়টা কাজে না লাগিয়ে বিভিন্ন ভাবে নষ্ট করছে, কেউ চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছে কেউ খেলতে যাচ্ছে, কেউ বন্ধু-বান্ধবী নিয়ে ঘুরতে যাচ্ছে। মাস শেষে বাবা বা মায়ের কাছ থেকে একটা ভাল পরিমানের টাকা নিয়ে নিচ্ছে নিজে চলার জন্য। ভাই দিন পাল্টেছে, নিজেকে একটু পাল্টান। আপনি হয়তো জানেন ও না কত কষ্ট করে আপনার বাবা-মা আপনার জন্য টাকা পাঠায়, তাই একটু বুদ্ধি খাটান নিজ বাঁচুন আপনার পরিবারকে বাঁচান।

 

ফ্রিলান্সিং করতে কি কি লাগবে?

এই পেশায় আসতে হলে প্রথমে আপনার যেটা দরকার হবে সেটা হলো ১ টি মোটামুটি মানের ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ এবং ১ টা যেকোন মানের স্মার্টফোন সার্বক্ষনিক ইন্টারনেট সংযোগ সহ। এছাড়াও আপনার থাকতে হবে প্রচন্ড রকমের ধৈর্য ধারন ক্ষমতা। নিজে নিজে কোন কিছু শেখার আগ্রহ, এখানে সাধারনত আপনার কোন বস বলে কেউ থাকবে না নিজেই নিজের বস। তাই, নিজেকে মোটিভেটও নিজেকেই করতে হবে, নিজের কাজ গুলো নিজ দায়িত্বে করে শেষ করতে হবে। ইংরেজীটা ভালমত বুঝতে শুনতে ও পড়তে পারবে হবে, না পারলে এগুলো আয়ন্ত করতে হবে। গুগলকে ব্যবহার করতে জানতে হবে। পরিচিত কাউকে কোন কাজের জন্য বার বার বিরক্ত না করে সেটা কিভাবে করতে হয়ে তা গুগল করে বের করতে জানতে হবে। মানে কোন ভাবেই অন্যের উপর নির্ভরশীল হওয়া যাবে না। কারন, যারা ইতিমধ্যে ভাল কাজ করছে একজন ফ্রিলান্সার হিসাবে, তাদের আসলে ক্লাইন্ট বাদে অন্য কাউকে সময় দেয়া অনেক কষ্ট কর। যেমন ধরেন আমি সারাক্ষন অনলাইনে থাকি, সেটা আমার কাজের প্রয়োজনে। আমাকে অনেকেই ম্যাসেজ দেয় এটা ওটা জানতে চায়, আমি সাথে সাথে না পারলেও পরে হলেও উত্তর দেই। এখন আপনি যখন কাজ শুরু করবেন সিনিয়র কাউকে ম্যাসেজ দিলেন, তিনি হয়তো সাথে সাথে উত্তর দিল না। আপনি ধরে নিলেন উনি অহংকারী এবং মানুষের কাছে এটা ওটা বলে বেড়াতে থাকলেন। এই কাজ ভুলে ও করবেন না, কারন আপনি ও যখন কাজ করবেন নিয়মিয় কাজ পাবেন যখন বুঝবেন ঐ ভাই কেন আপনার ম্যাসেজের উত্তর দিতে দেরী করছে বা দিতে পারে নাই। অনেকেই হয়তো পাবেন, এই পেশায় যারা যায় তারা মনে হয় একটু বোকা টাইপের হয় না হয় সে অন্য কিছু করতে পারে নাই তাই এই কাজ করতে গেছে। আবার অনেকেই ভাবে এই কাজ করতে মনে হয় তেমনি কিছু লাগে না, একটা ল্যাপটপ আর ইন্টারনেট কানেকশন লাগিয়ে বসে গেলেই কম্পিউটারের পিছন দিয়ে খালি ডলার আর ডলার বের হয়। ভাই থামেন, ফ্রিলান্সিং এত সহজ না। আপনি যখন আপনার এলাকায় কোন কাজ করেন তখন আপনার প্রতিদন্ধী কে থাকে আপনার এলাকারই হয়তো কেউ। কিন্তু এখানে আপনাকে প্রতিদন্ধীতা করতে হবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের দক্ষ মানুষের সাথে। সুতরাং আর ৪/৫ টা পেশার চেয়ে এই পেশায় আপনার যোগ্যতা ও দক্ষতা বেশি দরকার হবে।

 

কীভাবে শুরু করবেন?

আপনি চাইলে কোন প্রকার অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই শুরু করতে পারেন। আগেই বলেছি আপনার একটা কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে। তাই ধরে নিচ্ছি এ দুইটা জিনিস আপনার আছে। তাহলে এখন আপনার কাজ হলো, আপনি কি করতে চান, মানে কি নিয়ে ফ্রীলান্সিং করতে চান সেটা ঠিক করা। এ জগতে অনেক ধরনের কাজ আছে। আপনার শারীরিক ভাবে থাকার দরকার নাই এমন যেকোন কাজ আপনি আপনি বাসায় বসে অনায়াসে করতে পারেন। যেমন ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, এস.ই.ও , এস.এম.এম , ওয়েব রিসার্স, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি। মাকের্টে কি কি কাজ পাওয়া যায় তা আপনি মার্কেট প্লেস গুলো ভিজিট করলেই পেয়ে যাবেন। ওখানে কাজরে ক্যাটাগরী গুলো দেয়া থাকে। সেখান থেকে আপনার পছন্দের কাজটি নিয়ে গুগলে একটু পড়াশুনা করেন, কাজটা কেমন কিভাবে করতে হয় আপনি এই কাজ পারবেন কিনা। যদি মনে হয় কাজটা আপনার পছন্দ হয়েছে শিখতে পারবেন ও করতে পারবেন। তাহলে এবার ওটা নিয়ে ইউটিউব ও গুগলে পুরাদমে পড়াশুনা শুরু করুন। প্রায় সব কাজেই পেইড কোর্স পাওয়া যায় অনলাইনে দরকার হলে সেগুলো ও কিনতে পারেন। লিনডা ডটকম ও ইউডিমি ডটকেম পেইড কোর্স গুলো পাবেন। বেশ কিছু জনপ্রিয় মার্কেট প্লেস হলো: আপওয়ার্ক, ফ্রিলান্সার ডটকম, ফাইবার, পিপলস পার আওয়ার এবং গুরু ডটকম। এছাড়া ও অনেক বড় বড় বেশ কিচু সাইট আছে যেমন ৯৯ ডিজাইন, থিমফরেস্ট, এনভাটো ইত্যাদি। আপনাকে নিজ উদ্যোগে কাজ শিখতে হবে, আপনি চাইলে দেশের কোন ভাল মানের ট্রেনিং সেন্টার থেকে কাজ শিখতে পারেন। যদিও ঐ শিক্ষা দিয়ে আপনি মার্কেটে কাজ করার উপযোগী হবেন কিনা বলতে পারছি না তবে বেসিকটা অন্তত শিখতে পারবেন। বেসিকটা শেখা হয়ে গেলে বাকিটা নিজে গুগল করে শিখতে পারবেন।

 

আপনার সমস্য ও সমাধান:

১) ভাই আমিতো ইংরেজি ভাল পারি না, আমি কি করবো? দেখেন ভাই আমি আমার সারা জীবনে ইংরেজীতে “সি” গ্রেডের উপরে পাইনি। মানে টেনেটুনে পাশ করছি আরকি। কিন্তু এখন আমেরিকা, কানাডা, বৃটেনসহ আরও অনেক দেশের বায়ারের সাথে কাজ করছি। কই, আমারতো সমস্যা হচ্ছে না। শুরুতে একদমই যে হয়নি তেমন না, তখন আমি গুগল ট্রান্সলেটর ব্যবহার করতাম। প্রচুন ইংরেজী মুভি দেখতাম, ইংরেজী ম্যাগাজিন পড়তাম, মানে না বুঝলে দেখতাম পড়তাম। মুভি দেখে বোঝার চেষ্টা করতাম ওরা কোন শব্দটা কোন ভাবে উচ্চারন করছে। আপনিও এই বুদ্ধিগুলো কাজে লাগান হয়ে যাবে। পারলে বাসায় কারও সাথে প্রাকটিস করুন, লজ্জা করবেন না। এখানে লজ্জার কিছু নাই।

২) আমিতো কম্পিউটার ঠিক মত ব্যবহার করতে পারি না?

ভাই ফ্রিলান্সিং কাজের মূল অস্ত্র হলো কম্পিউটার তাই এটার বেসিক ব্যবহারতো আপনাকে জানতেই হবে। ব্রাউজিং, ইমেলিং, ম্যাসেজিং এগুলোতো কমন কাজ, এগুলোতো পারতেই হবে। না পারলে আগে কোন ট্রেনিং সেন্টার থেকে ভাল করে কম্পিউটারের ব্যবহার শিখে নিন।

৩) আমি কিছু কিছু কাজ পারি এখন কি করে শুরু করবো?

কিছু কিছু বা একটু একটু পারেন এমন কাজ পারার দক্ষতা নিয়ে কখনোই মার্কেটে ঢুকবেন না। আগে ভাল মত কাজ শিখুন প্রয়োজনে সময় নিন তারপর মার্কেটে আসুন। অনেকেই কাজ না জেনে হুদাই বিড করতে থাকেন, তখন কাজ পায় না বা পেলেও করতে পারে না। বায়ার দেয় ডিসপিউট, আইডি যায় নষ্ট হয়ে তখন ঐ ভাই বা বোন বলে ফ্রিলান্সিং বলে কিছু নাই সব ভুয়া। মানে খাইতে না পারলে আঙ্গুল ফল টক।

৪) পেইড কোর্স গুলো কিভাবে কিনবো?

লিনড ডটকম বা ইউডিমিতে আপনি এগুলো পাবেন। দাম বেশি না, প্রায় কোর্সের দাম ৯-১২ ডলারের ভিতরে। নিজের কার্ড না থাকলে যার কার্ড আছে তার সাহায্য নিন। আপনার পাসপোর্ট থাকলে আপনি নিজেই একটা ইন্টারন্যাশনাল কার্ড নিয়ে নিতে পারেন ইষ্টার্ন ব্যাংক থেকে। কার্ডের নাম ই.বি.এল এ্যাকুয়া কার্ড। কার্ডের খরচ বেশি না ৫৬০ টাকা যত দুর মনে পড়ে। বাৎসরিক চার্জ ৫০০ টাকার মত। আশা করি সমস্যার সমাধান পেয়েছেন।

 

৫) ল্যাপটপ নাকি ডেস্কটপ নিব?

আপনি যেকোন একটা নিয়েই কাজ করতে পারেন। তবে, ট্রাভেলিং করার দরকার হলে ল্যাপটপ ভাল। মনে রাখবেন প্রফেশনাল কাজের জন্য ডেস্কটপের বিকল্প নেই। যেটাই কিনেন না কেন মেমোরি ৮ জিবির কম নিবেন না। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে ডেস্কটপই বেশি ব্যবহার করি থাকি। স্মার্টফোনের কথাটা মাথায় রাখতে হবে, যেকোন মোটামুটি মানের একটা স্মার্টফোন হলেই আপনি বায়ারের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখতে পারবেন।

 

৬) কত টাকা আয় করা যেতে পারে?

এখানে টাকা আয়ের কোন লিমিট নাই, আপনি যেমন কাজ করবেন তেমন আয় করবেন। কাজ নেই টাকা ও নেই। তবে, আপনি যখন ভাল কাজ শিখে যাবেন ও করতে পারবেন তখন ৩০ হাজার থেকে শুরু করে ১ লাখ ও আয় করতে পারবেন কাজের ধরন বুঝে। কেউ কেউ আছেন মাসে কয়েক লাখও আয় করেন তারা হলেন দেশের টপ লেভেলের ফ্রিলান্সার।

 

৭) টাকা কিভাবে উঠাবো?

আগে কাজ শিখেন কাজ করেন টাকা উঠানো নিয়ে শুরুতেই ভাবলে আপনার আর কাজ করা হবে না। প্রত্যেক মার্কেটপ্লেসেরই বিভিন্ন গেটওয়ে আছে টাকা উঠানোর । ব্যাংক বা পেওনিয়ারে টাকা উঠানোটা সবচেয়ে জনপ্রিয়। কিভাবে পেওনিয়ারে এ্যাকাউন্ট খুলবেন সেটা না হয় আর একদিন বলবো।

 

যে বিষয়গুলোর দিকে খেয়াল রাখতে হবে:

 

১) ফ্রিলান্সিং করতে হলে রাত জাগতে হবে তাই কাজ করা বা শেখার সময় প্রচুর পানি খাবেন।

২) একটানা কয়েক বছর কাজ করলে ব্যাকপেইন হতে পারে, তাই শুরু থেকেই কোমর সোজা করে কাজ করুন এবং বসার চেয়ার টেবিল গুলো দেখেশুনে কিনুন।

৩) যেহেতু আমাদের সারাক্ষন মনিটরের দিকে তাকিয়ে থাকতে  হয় তাই প্রতি ৩০ মিনিটে বা ১ ঘন্টায় ১ বার হলেও উঠন একটু হাটাহাটি করুন এবং চোখে পানি দিন। তাতে চোখটা ভাল থাকবে।

৪) রাতে পর্যাপ্ত খাবার সাথে রাখুন, প্রচুর ফল খাবেন।

৫) পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের জন্য খুবই দরকার। যেহেতু রাত জেগে কাজ করতে হয় তাই দিনে ভাল করে ঘুমিয়ে নিবেন। একটানা রাত না জেগে মাঝে মাঝে দিনেও কাজ করুন। শরীরে রোদ লাগাবেন না হলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

 

আমাদের খ্রিষ্টান তথা সকল ধর্মালম্বী ভাই-বোনদের প্রতি অনুরোধ আসুন কাজ ‍শিখুন কাজ করুন, নিজের ভবিষ্যৎ গড়ুন অন্যকে গড়তে উৎসাহিত করুন। আমাদের ফাদার-ব্রাদারদের প্রতি অনুরোধ দেশের যুবক যুবতীদের নিয়ে যখন কোন সভা বা সেমিনার হয় সেখানে যদি ৩০ মিনিট বা ১ ঘন্টার একটা সেশন রাখেন ফ্রিলান্সিং নিয়ে তাহলে ওরা জানতে পারবে এটা নিয়ে তখন ওরা আর আর্থিক কষ্ট নিয়ে থাকবে না কাজ শিখে স্বাবলম্বি হতে পারবে। মানুষের দ্বারে দ্বারে আর টিউশনির জন্য ওদের ধন্না দিতে হবে না। মা-বাবার কষ্টও লাঘব হবে। বিশেষ করে এস.এস.সি বা এইচ.এস.সির পর ছেলে-মেয়েদের নিয়ে যে ১০ দিনের প্রোগ্রাম গুলো হয় যেখানে এই বিষয়ক একটা সেশন রাখতে পারলে অনেক ভাল হবে। কারন, আমি জানি ইন্টার পাশ করার পর একজন ছাত্র বা ছাত্রী কতটা বাস্তব জীবনের মুখোমুখি হয়। আর এধরনের প্রোগ্রামে আমাকে যদি ডাকা হয় আমি অবস্যই অবস্যই যাবার চেষ্টা করবো।

পরিশেষে বলতে চাই, আর নয় বেকার থাকা। চলুন নিজে স্বনির্ভরশীল হই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাই এক অনন্য উচ্চতায়। আমার লেখায় যদি একজনের ও বেকারত্ব দূর হয় তবেই আমার স্বার্থকতা।

Back To Top